করোনার চিকিৎসায় যেভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা

নিউজ নিউজ

ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২০

এ্যাজমা এক্সাসেরবেশন, হার্ট ফেইলিউর, সিওপিডি, ব্যাকটেরিয়াল কমিনিটি এক্যুয়ার্ড নিউমোনিয়াসহ যেসব রোগের রেস্পিরেটরি সিম্পটম্পস আছে তাদের খুব কষ্ট হবে এ সময়টা। শুধু শ্বাসকষ্ট দেখে অনেক প্রাইভেট ইনস্টিটিউশন ট্রিটমেন্ট দিতে চাইবে না। তারা সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করে অবশেষে আসবে সরকারি হাসপাতালে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ট্রায়াজে খুব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে সবাইকে। সরকারি হাসপাতাল ছাড়া তাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।

ট্রায়াজ/স্ক্রিনিংয়ে রেস্পিরেটরি সিম্পটম এবং ফিভারের পেশেন্টকে দেখার জন্য পুরো একটা আলাদা রুম রাখেন। সেখানে ভালো ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাতাস যেন বদ্ধ না থাকে। পিপিই পুরোপুরি ইউজ করে সেখানে রোগী দেখতে হবে। করোনা ওয়ার্ড, ইনফেকশাস ডিজিজ, পোলমুনোলোজি ওয়ার্ড, আইসিইউ এগুলোতে পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ে যেতে হবে। যেসব প্রসিডিউর ড্রপলেট বাতাসে ছড়িয়ে দিতে পারে যেমন সাকশনিং, ইনটিউবেশন, সিপিআর—এসবের সময় ফুল প্রটেকশন, এন-৯৫, আই শিল্ড পরে কাজ করতে হবে। করোনা সন্দেহভাজন রোগীকে পরিবহনের জন্য যে লিফট, ট্রলি ব্যবহার করবেন সেগুলো রেড মার্ক করেন। অন্যরা যাতে এগুলো ব্যবহার না করে। হাসপাতালে দিনে কয়েকবার ডিসইনফেকট্যান্ট স্পে করতে হবে সকল সার্ফেসের উপর। হাতের কাছে পর্যাপ্ত হ্যান্ড রাব এবং লিকুইড সোপ রাখতে হবে। এক গ্লাভস পরে এক পেশেন্টের বেশি পরীক্ষা করা যাবে না। রিস্কি প্লেস, ফিজিক্যাল এক্সাম, প্রসিডিউর ছাড়া হ্যান্ড গ্লাভসের দরকার নাই। এলকোহল বেজড হ্যান্ড রাব ফ্রিকুয়েন্টলি ব্যবহার করেন। খুব প্রয়োজনীয় ফোকাসড পয়েন্ট ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল এক্সাম করা যাবে না। রোগীর সাথে চেষ্টা করবেন অন্তত এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে।

বাকিসব জেনারেল ওয়ার্ডে সার্জিক্যাল মাস্ক যথেষ্ট। খুব সতর্ক থাকতে চাইলে ডাবল সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করেন। জেনারেল ওয়ার্ডে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পিপিই গিয়ার পরে থাকার দরকার নাই। এই গরমে মারা যাবেন। বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতালে মেডিসিন ওয়ার্ডে গণভাবে রোগী শোয়ানো হয়। এই সময় ইনফেকশাস এবং রেস্পিরেটরিদেরকে অবশ্যই সবখানে আলাদা করে ফেলেন। হাসপাতালের তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী—যাদের রোগী এক্সপোজার বেশি তাদেরকেও পিপিই দিতে হবে। রেডিওলজি, ল্যাব টেকনিশিয়ান, ফার্মাসিস্টদেরকেও। ওয়ার্ডে খুব বেশি রোগী এক্সপোজার থাকলে আইসিইউ বা ওআর’র গাউন পরা যেতে পারে। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে দরজা থেকেই সরাসরি বাথরুমে গিয়ে কাপড় চোপড় খুলে ফেলবেন। বাসায় যতটা পারা যায় নিজেকে আইসোলেট করে রাখেন। অন্যদের কাছাকাছি যাবার আগে মাস্ক পরে নিতে পারেন। আপনি হয়তো হেলদি ক্যারিয়ার কিন্তু আপনার বাসায় বয়স্ক ক্রনিক ডিজিজ/আন্ডারলাইং কন্ডিশন আছে এ রকম রোগী বিপদে পড়তে পারে।

মেডিকেল পারসোনেলদের মাইল্ড কোনো সিম্পটম দেখার সাথে সাথে টেস্ট পাঠাতে হবে। সাথে সাথে ল্যাব ও রেডিওলোজিক ওয়ার্কআপ। আমাদের বেশ কিছু চিকিৎসক ছিলেন যারা আগের দিনও সুস্থ্য ছিলেন। রোগী দেখেছেন। একদিনের ব্যবধানে তাকে ইউনিউবেট করা লেগেছে। সুতরাং শুধু কোয়ারেন্টাইন করেই ক্ষান্ত হবেন না। তাৎক্ষণিক ইভালুয়েশন ও ইন্টেন্সিভ ওয়ার্কআপের পর কোনোরকম পজিটিভ ফাইন্ডিং পেলেই এডমিট করে ফেলতে হবে। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। আমাদের হেলথ কেয়ার ওয়ার্কদেরকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। হেলথ কেয়ার সিস্টেম ধস নামলে যে ক্যাওস আর বিপর্যয় তৈরি হবে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা কারো নাই।

ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) ব্যবহার নিয়ে একজন পোস্ট করেছেন।

এটা ফলো করতে পারেন।

আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি পুরো পোস্টটা।

পিপিইর যৌক্তিক এবং যথোপযুক্ত ব্যবহার

সারা পৃথিবীতে পিপিইর স্বল্পতা রয়েছে। অসংখ্যা মানুষ রোগী হয়ে যাচ্ছে। তাদের সেবা দেবার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে অসংখ্য সেবাদানকারীর। এমতাবস্থায় পিপিইর অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন সুপারিশ করেছে “Rational use of personal protective equipment for coronavirus disease 2019 (COVID-19).

সেই সুপারিশ অনুযায়ী কার কার পিপিই ব্যবহার করা দরকার সেটা লিখছি। তবে ব্যবহারের আগে একটু জেনে নেই পিপিই কি?

পিপিই হলো অনেকগুলো জিনিসের সমন্বিত একটি স্পেশাল ড্রেস, যা পরিধেয় ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। তবে সেই সমন্বিত জিনিসের অংশ বিশেষও পিপিই।

জিনিশগুলো হোল ১. গাউন, এটি শুধু ফুল স্লিভ গাউন হতে পারে বা ফুল কভার গাউন হতে পারে, ২. ক্যাপ, ৩. গ্লাভস ৪. ফেস শিল্ড, ৫. গগলস, ৬. ফেস মাস্ক, ৭. সু কভার।

এই পূর্ণ সেট সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়। মাস্কটি গুরুত্বপূর্ণ বলে এটি সম্পর্কে আর একটু বিস্তারিত বলি।

ফেস মাস্ক: এটি দু’রকমের

১. মেডিক্যাল মাস্ক, ২. রেসপিরেটর

মেডিক্যাল মাস্ক: হেলথ কেয়ার সেটিংয়ে ব্যক্তির নাক ও মুখ ঢাকার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি লুজ ফিটিং এবং যে ফাঁকা থাকে তাতে সব রকম কনা এবং ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস চলাচল বন্ধ করতে পারে না।

ব্যবহার মাত্রা: কেবল একবারই ব্যবহারযোগ্য। এটি আবার দু’রকমের

ক. সার্জিক্যাল মাস্ক, যেটা অপারেশনের সময় অপারেশন টিম পরেন, যাতে তাদের নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত কোনো জীবানু অন্যদের এবং পেশেন্টকে কন্টামিনেশন না করে। কোভিড-১৯ এর জন্য ব্যবহারযোগ্য মেডিকেল মাস্ক বলতে সার্জিক্যাল মাস্ককেই বোঝানো হয়েছে।

খ. প্রসিজিউর মাস্ক: যেটা সাধারণ রোগী কেয়ারের সময়ে ব্যবহার করা হয়।

রেসপিরেটর: এটি একটি পারসোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যেটা পরিধান করলে নাক মুখ এমনভাবে ঢাকা থাকে যে যেকোনো বায়ুবাহিত ক্ষতিকর কনা এবং জীবানু প্রবেশ রোধ করতে পারে। এটি টাইট ফিটিং এবং এমনভাবে মুখের সাথে লেগে থাকে যে কোন ফাঁকা থাকে না। এটিতে একটি ফিল্টার থাকে, যা ৯৫ ভাগ কনা ও সংক্রামক জীবানু শোষণ বা ফিল্টার করতে পারে। N95 মাস্ক এমনই একটি মাস্ক।

ব্যবহার মাত্রা: এটিও পুনরায় ব্যবহারযোগ্য নয়। তবে কোনো ছেড়া বা ফুটো না হলে এবং ফিল্টার ক্ষমতা নষ্ট না হলে ৮ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা যেতে পারে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধের জন্য কে কখন কি সুরক্ষা ব্যবস্থা নিবেন।

ইনডোর

ক. স্থান: পেশেন্টের রুম

১. হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার্স

কাজের ধরন: কোভিড-১৯ রোগী কেয়ার

পিপিইর ধরণ:

• মেডিকেল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস
• গগলস অথবা ফেস সিল্ড (আই প্রটেকশন)

কাজের ধরন: এরোশল জেনারেটিং প্রসিজিউর (ট্রাকিয়াল ইন্টিউবেশন, নন-ইনভ্যাসিভ ভেন্টিলেশন, ট্রাকিওস্টোমি, কারডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন, ইন্টিউবেশনের আগে ম্যানুয়াল ভেন্টিলেশন, ব্রংকোস্কোপি)

পিপিইর ধরণ:

• N95 রেসপিরেটর
• গাউন
• গ্লাভস
• আই প্রটেকশন (গগলস অথবা ফেস সিল্ড)
• অ্যাপ্রোন

২. ক্লিনার

কাজের ধরণ: কোভিড-১৯ রোগীর রুমে ঢোকা এবং কাজ করা।

পিপিইর ধরণ:

• মেডিক্যাল মাস্ক
• গাউন
• হেভি ডিউটি গ্লাভস
• আই প্রটেকশন যদি কোনো কেমিক্যাল ছিটে আসার আশঙ্কা থাকে।
• বুটস অথবা বদ্ধ জুতা।

৩. ভিজিটর: শুধু রুমে ঢুকলে

• মেডিকেল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস

খ. স্থান: ট্রানজিট যেমন করিডোর। হেলথ কেয়ার ওয়ার্কারসহ যে কোন স্টাফ।

কাজের ধরণ: যে কোনো কাজ যা রোগীদের সাথে কোনো কন্ট্যাক্টের প্রয়োজন হয় না।

পিপিই: কোনো ধরনের পিপিইর প্রয়োজন নেই।

গ. স্থান: ট্রায়াজ

১. হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার্স।

কাজের ধরন: শুধু স্ক্রিনিং, কোনো কন্ট্যাক্ট নেই।

পিপিই: কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে। কোনো পিপিইর প্রয়োজন নেই।

২. রোগী রেসপিরেটরি লক্ষণসহ।

• কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে।
• মেডিকেল মাস্ক যদি সে সহ্য করতে পারে।

৩. পেশেন্ট রেসপিরেটরী লক্ষণ ছাড়া।

• কোনো পিপিইর দরকার নেই।

ঘ. স্থান: ল্যাবরেটরি

১. টেকনিশিয়ান।
কাজের ধরণ: কালেক্টিং স্যাম্পল।

পিপিই:
• মেডিক্যাল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস
• আই প্রটেকশন যদি তরল ছিটানোর ঝুঁকি থাকে।

ঙ. স্থান: প্রশাসনিক এরিয়া। হেলথ কেয়ার ওয়ার্কারসহ যে কোনো স্টাফ।

কাজের ধরণ: প্রশাসনিক কাজ। রোগীদের সাথে কন্ট্যাক্ট নেই।

• কোনো ধরনের পিপিই’র প্রয়োজন নেই

বহির্বিভাগ

ক. স্থান: পরামর্শ বা কনসাল্টেশন রুম।

১. হেলথ ওয়ার্কার্স

কাজের ধরণ: রেসপিরেটরী লক্ষণসহ রোগীর দৈহিক পরীক্ষা।

পিপিইর ধরণ:

• মেডিকেল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস
• আই প্রোটেকশন।

কাজের ধরণ: রেসপিরেটরী লক্ষণ ছাড়া রোগীর দৈহিক পরীক্ষা।

পিপিইর ধরণ:

• ঝুঁকি পরিমাপ অনুযায়ী।

২. পেশেন্ট রেসপিরেটরী লক্ষণসহ।

• মেডিক্যাল মাস্ক যদি সহ্য করতে পারে

৩. পেশেন্ট রেসপিরেটরী লক্ষণ ছাড়া।

• কোনো ধরনের পিপিই’র দরকার নেই

৮. ক্লিনার

কাজের ধরণ: রেসপিরেটরী লক্ষণসহ রোগী কনসালটেশনের মাঝখানে ও পরে পরিচ্ছন্নতা।

ক. পিপিইর ধরণ

• মেডিকেল মাস্ক
• গাউন
• হেভি ডিউটি গ্লভস
• আই প্রটেকশন যদি কোন কেমিক্যাল ছিটে আসার আশঙ্কা থাকে
• বুটস অথবা বদ্ধ জুতা।

খ. স্থান: ওয়েটিং রুম

১. রেসপিরেটরী লক্ষণসহ পেশেন্ট

পিপিই এবং সতর্কতা:

• মেডিকেল মাস্ক যদি সহ্য করতে পারে
• যত দ্রুত সম্ভব আইসোলেটেড রুমে স্থানান্তর
• সম্ভব না হলে অন্য পেশেন্ট থেকে ১ মিটার দূরে রাখা।

২. রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়া রোগী।

পিপিই এবং সতর্কতা: কোনো ধরনের পিপিই’র দরকার নেই।

এছাড়া কমিউনিটিতে (বাড়িতে), স্ক্রিনিংয়ের জায়গায়, অস্থায়ী আইসোলেশন এরিয়াতে এবং অ্যাম্বুলেন্স ট্রান্সফারের সময় সবক্ষেত্রেই।

১. স্বাস্থ্যকর্মীরা:

• মেডিক্যাল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস
• আই প্রোটেকশন।

২. ক্লিনার: আগের মতই।

৩. ড্রাইভার।

সাসপেক্টেড পেশেন্ট নিয়ে শুধু ড্রাইভিং এবং ড্রাইভারের কমপার্ট্মেন্ট আলাদা করা:

• কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে।
• পিপিই’র দরকার নেই।

ডাইরেক্ট কন্টাক্ট নেই কিন্তু ড্রাইভারের কম্পার্ট্মেন্ট আলাদ করা নয়:

• মেডিক্যাল মাস্ক।

পেশেন্ট উঠানো নামানোতে সাহায্য করা:

• মেডিক্যাল মাস্ক
• গাউন
• গ্লাভস
• আই প্রটেকশন

৪. স্টাফ
প্রথম স্ক্রিনিং।

• কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে
• পিপিই’র দরকার নেই।

দ্বিতীয় স্ক্রিনিং জ্বর ও লক্ষণসহ।

• মেডিক্যাল মাস্ক
• গ্লাভস

৫. কমিউনিটি কেয়ার গিভার বাড়ীতে।

শুধুমাত্র পেশেন্টের রুমে প্রবেশ, কোন ডাইরেক্ট কন্টাক নেই।

• মেডিক্যাল মাস্ক
• পেশেন্টের ডাইরেক্ট কেয়ার এবং মলমূত্র হ্যান্ডল করা
• গ্লাভস
• মেডিক্যাল মাস্ক
• এপ্রোন

৬. কমিউনিটির যে কোনো জায়গায়।

দ্রুত রেসপন্স টিম ইনভেস্টিগেটর
সন্দেহজনক বা নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগী বা তাদের কনট্যাক্ট:

• কোনো পিপিই নয়
• রিমোট ইন্টারভিউ টেলিফোন বা ভিডিও কনফারেন্স।

সন্দেহজনক বা নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগীদের সউপস্থিতি ইন্টারভিউ, কোনো সরাসরি কন্ট্যাক্ট নেই:

• মেডিক্যল মাস্ক
• কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা
• ইন্টারভিউ ঘরের বাইরে নিতে হবে। পেশেন্ট যদি সহ্য করতে পারে মেডিক্যাল মাস্ক পরবে।
কোভিড-১৯ পেশেন্টের কন্ট্যাক্টের উপস্থিতিতে ইন্টারভিউ:
• কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে
• কোন ধরনের পিপিই দরকার নেই
• ইন্টারভিউ বাড়ির বাইরে নিতে হবে
• যদি বাড়ির ভিতরে ঢুকতে হয় থারমাল ইমেজিং ক্যামেরা দিয়ে জ্বর পরীক্ষা করতে হবে। কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং ঘরের কোনো জিনিস স্পর্শ করা যাবে না।

চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী যারা সরাসরি ইনডোর এবং আইসিইউ রোগী ডিল করে তাদের জন্য কমপ্লিট সেটের সাথে সু’কভার নিতে হবে যদি অলকভার গাউন না থাকে।

এসব পরিধান এবং খোলার আলাদা নিয়ম কানুন আছে। Proper Donning and Doffing of PPE একটা স্লাইড শেয়ার দেখা যেতে পারে। অনেক ভিডিও আছে সেগুলোও দেখা যেতে পারে।

 

কৃতজ্ঞতা : অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক 

আপনার মতামত দিন :