৬ দিনেও ঢাকা থেকে বরিশাল পৌঁছেনি করোনার রিপোর্ট

নিউজ নিউজ

ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২০

আইইডিসিআরে নমুনা পাঠানোর ৬ দিন পরও ঢাকা থেকে বরিশাল পৌঁছেনি করোনার রিপোর্ট। ফলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন সন্দেহভাজন রোগীরা করোনা আক্রান্ত কিনা -নিশ্চিত হতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। এমনকি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া এক রোগীও করোনা আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা জানাও সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকা যুগান্তর এ খবর জানিয়েছে।

শেবাচিম হাসপাতালে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন, ঢাকা থেকে রিপোর্ট আনার চেষ্টা চলছে। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধা পর্যন্ত রিপোর্ট দিতে পারেনি আইইডিসিআর।

এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, যে দু’জন মারা গেছে তাদের মধ্যে একজন ছিল হার্টের রোগী। ভুলক্রমে তাকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। মারা যাওয়া অপরজন পটুয়াখালীর জাকির হোসেনের করোনা সংক্রান্ত সব উপসর্গই ছিল। এখানে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা যেমন নেই তেমনি ঢাকায় ড্রপলেট পাঠানোরও কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ড্রপলেট পাঠাতে যে কিট দরকার তাও আমরা পাইনি। তারপরও বহু কষ্টে অনেকটা জোড়াতালি দিয়ে গত ২৮ মার্চ মারা যাওয়া জাকির হোসেনসহ মোট ৬ জনের ড্রপলেট ঢাকায় পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পরীক্ষার সেই রিপোর্ট বরিশালে এসে পৌঁছায়নি।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন, আমাদের পাঠানো নমুনা রোববারই আইইডিসিআরে পৌঁছেছে। তারা বিষয়টি আমাদেরকে নিশ্চিতও করেছে।

রিপোর্ট পেতে এত দেরি কেন হচ্ছে, সে ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশা করছি আজ-কালের মধ্যে রিপোর্ট পেয়ে যাব। দেরি বলতে ওরা (আইইডিসিআর) আমাদেরকে যেটা বলেছে তা হল সারা দেশ থেকেই পরীক্ষার জন্য নমুনা যাচ্ছে সেখানে। যে কারণে দ্রুত পরীক্ষা এবং রিপোর্ট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে তারা আমাদেরকে নিশ্চিত করেছে যে শুক্রবারের মধ্যেই পরীক্ষার রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবে।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের নবনির্মিত একটি ভবনে করোনা ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এই ইউনিটে ভর্তি হয়েছে মোট ৯ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে ২ জন এবং ৪ জন বাড়ি ফিরে গেছে সুস্থ হয়ে। চিকিৎসাধীন রয়েছে ৩ জন।

আপনার মতামত দিন :