করোনাভাইরাস: সরকারের পাশাপাশি কাজ করছে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন

নিউজ নিউজ

ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০২০

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। এর পর থেকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় বিভিন্ন কেন্দ্র খুলেছে সরকার। এক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে পেশাজীবী অনেক সংগঠন।তারা চিকিৎসকদের জন্য পিপিই সরবরাহের পাশাপাশি এ রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে দিয়েছেন নানা পরামর্শ।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বেরসকারি হাসপাতালগুলোকে করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যান্য রোগীদের মধ্যে দ্রুত করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সরকারি বড় হাসপাতালে কোভিড-১৯ এর ইউনিট ও আইসোলেশন সেন্টার না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বেকার স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনা চিকিৎসায় সম্পৃক্ততা চায় স্বাচিপ 

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘মানুষকে সচেতন করার জন্য আমরা সাংগঠনিকভাবে কাজ করছি। সারাদেশে সকল শাখার নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে এ কাজ অব্যাহত আছে। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা করছে।’

করোনা সংকট মোকাবিলায় সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রোটোকল ও এসওপি অনুযায়ীই যেতে হবে। আলাদা করে প্রস্তাবনার সুযোগ নেই। এর পরও আমরা প্রথম থেকেই বলেছি, বড় বড় সরকারি হাসপালে কোভিড-১৯ এর ইউনিট ও আইসোলেশন সেন্টার করার ব্যাপারে নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করেছি। কারণ এর ফলে যেহেতু করোনাভাইরাস দ্রুত সংক্রমণ হয়, এতে অন্যান্য রোগীদের মধ্যে করোনা সংক্রমিত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে। এছাড়া করোনা রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সেবা-সুশ্রুসা, ব্যবহার্য জিনিস, যন্ত্রপাতির মাধ্যমে হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমিত হওয়ার ভীষণ আশঙ্কা থাকে। সরকারি সব হাসপাতালে কোভিড-১৯ এর ইউনিট খোলার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমাদের নেতিবাচক অবস্থান জানিয়েছিলাম। এজন্য সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল হতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলোর অবকাঠামো সম্পন্ন করা হয়েছে, কিন্তু কার্যক্রম শুরু হয়নি। সেগুলো কোভিড হাসপাতাল হিসেবে তৈরি করার জন্য। এটা ছিল আমাদের প্রস্তাবনা।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়ত স্বাচিপের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ২৯৭ জন ইউএইচঅ্যান্ডএফপিওকে প্রদানের জন্য ইতিমধ্যে যে গাড়ি সংগ্রহ করা হয়েছে, সেগুলো যেন দ্রুত তাদের দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকতার এখন সময় নাই। এটি হলে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম অনেক বেশি গতি পাবে।

তৃতীয়ত স্বাচিপের প্রস্তাবনা হলো, দেশের বেকার চিকিৎসক-নার্স, টেকনোলজিস্টদের সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় সম্পৃক্ত করা।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে জ্বর-সর্দি-কাশীর রোগীদের সেবা না দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে সোসাইটির লোকদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। হতাশা ও দুঃখের বিষয় হলো—বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের সংগঠন এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এরপরও আমরা তাদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করছি। সুলভ মূল্যে মানসম্পন্ন সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) সংগ্রহ করার জন্য তাদেরকে বলা হয়েছে।’

সাধারণ মানুষের জন্য তাদের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে স্বাচিপ মহাসচি বলেন, ‘তাদের সতর্ক করা এবং করোনা সংক্রমণ থেকে পরিবার-পরিজনদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো আমরা প্রচার করছি। দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেসব এসওপি পরিবর্তন করেছে আমরা তাদের সঙ্গে এসব পরিবর্তন করেছি। তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করছি। চেক রিপাবলিক তাদের করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে লিলেন বা পপলিন দিয়ে গৃহে তৈরি তিন প্রস্থের মাস্ক সকল নাগরিকের জন্য আবশ্যিক করে। আমরাও তাই বলছি। বাজারজাত মাস্কের ছোটাছুটির কোনো প্রয়োজন নাই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, এটা ৯০ থেকে ১০০ ভাগ কোভিড নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রথম দিকে আমাদের চিকিৎসকরা এবেবারে নিরাপত্তাহীন ছিলেন। এখন সরকারের পক্ষ থেকে কিছু কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এটি সমন্বিতভাবে হচ্ছে না। আরও বেশি সমন্বিতভাবে হওয়া প্রয়োজন। ডেডিকেটেড হাসপাতালে আইসিইউ বা যারা সরাসরি রোগীদের সেবা দেবেন তাদের পিপিই মানসম্মত হওয়া উচিত। মানসম্মত পিপিই দেওয়ার পরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী সংক্রমিত হয়ে গেছেন। এ অবস্থায় মানহীন পিপিই দিয়ে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবেন। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে বলেছি, মন্ত্রণালয় চেষ্টা করে চলেছে।’

বাজারে নকল পিপিই’র সয়লাব হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিম্নমানের অনেক ব্যবসায়ী পিপিইর ব্যবসায় নেমে গেছে। বাঙালি জাতির এ ক্রান্তিকালে আমাদের দেশের প্রতিথযশা ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত এ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সুযোগ গ্রহণ করার যে প্রয়াস চালাচ্ছেন—এটা সত্যিই আমাদের জন্য দুঃখজনক, কলঙ্কময়।’

বেরসকারি হাসপাতালগুলো করোনা কেন্দ্র করার দাবি ড্যাবের 

জানতে চাইলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি ডা. হারুন আল রশিদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই সতর্ক করে আসছি। এ লক্ষ্যে গত ১৩ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবে আমরা সাংবাদিক সম্মেলন করি। সেখানে সায়েন্টিফিক সেমিনার এবং রোগ সম্পর্কে ও ভবিষ্যতে রোগটি কী কেমন রূপ ধারণ করতে পারে এ আলোচনা তুলে ধরি। আমাদের অধ্যাপক ডা. আমিনুল হক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আমাদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন পরামর্শমূলক বক্তব্য সম্বলিত লিফলেট সারাদেশে ৬৫ শাখায় বিতরণ করি।

আমরা বারবার সরকারকে সতর্ক করার চেষ্টা করি, পূর্বে থেকে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এর থেকে কেউ রেহাই পাবেন না।

চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার নিজেদের পদক্ষেপের তুলে ধরে ডা. হারুন বলেন, ‘রোগাক্রান্ত ব্যক্তি ও নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা দেবে সেসব স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা সর্বাগ্রে নিশ্চিত করতে হবে। কারণ একজন চিকিৎসক আক্রান্ত হলে তার মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ সংক্রমিত হয়ে যাবে। তাদের নিরাপত্তা শুধু তাদের জন্য না এটা নাগরিকদের নিরাত্তার স্বার্থেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন খেয়াল সরকারি উদ্যোগ অপ্রতুল তখন বরিশাল, বগুড়াসহ আমাদের সক্ষম বিভিন্ন শাখার উদ্যোগে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে পিপিই প্রদান করেছে। সারাদেশব্যাপী সকল বেসরকারি মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে ১০টি করে পিপিই সেট দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এক-দুই দিনের মধ্যে এ কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। এটি অব্যাহত থাকবে। সরকারের পাশাপাশি আমি মনে করি সবারই এগিয়ে আসা উচিত।’

মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের কাছে নিজেদের প্রস্তাবনা তুলে ধরে ড্যাব সভাপতি বলেন, ‘সরকারের উচিত হবে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ করে দেওয়া। উন্নত বিশ্বে স্বাস্থ্য খাতের সকল জনবল করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। প্রাইভেট প্রাকটিস, চেম্বার, বেরসকারি হাসপাতালগুলো বন্ধ করে দিয়ে সরকার এসবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এগুলোকে করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করেছে। কারণ সরকারি জনবল দিয়ে এ যুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব না।’

এছাড়াও সাধারণ সেবা বন্ধ করে দেওয়ার পরমার্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য ড্যাবসহ অনেক সংগঠন হেল্পলাইন করেছে। এটা যথেষ্ট। পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন ছোট রোগের কারণে মানুষ মরে যাবে না। কিন্তু করোনা থেকে বাঁচতে হবে। এজন্য ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া দরকার।’

এমনটি হলে করোনাভাইরাস আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভুলটা হলো, আমরা করোনা আগেই নির্ধারণ করতে পারিনি। কিট দিতে পারিনি। এতে অনেক করোনা রোগী আমাদের পাশে ঘুরে বেরিয়েছে। অথচ আমরা জানি না। রোগী নিজেও জানে না। সে নিজের অজান্তে রোগটা ছড়িয়ে দিয়েছে। এটা বারবার বলেছি, আমাদের পর্যাপ্ত কিট থাকলে ডায়াগনোসিস করা সহজ হতো। এটা জানা গেলে সরকার নয়, জনগণই ওই রোগীকে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাবে। এখন তাই হচ্ছে। কাজেই ডায়ানোসিসটা আমরা করতে পারিনি। এটা হচ্ছে আইইডিসিআর থেকে। এতে ভালো ফল আসছে না। রোগটা ছড়িয়ে যাচ্ছে। সকল হাসপাতাল-ক্লিনিকেট কিট সরবরাহ করা হোক। অনেকে মরে যাচ্ছে তার পরও ডায়াগোনসিস হচ্ছে না।’

সাধারণ মানুষের জন্য ড্যাবের উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের জন্য আমরা স্বাস্থ্য হেল্প লাইন করেছি। আমাদের ৯৯ জন চিকিৎসক সারাদেশব্যাপী হেল্পলাইনে সেবা দিচ্ছে। আমরা অসংখ্য ফোন পাচ্ছি। আমরা তাদের বলছি, আপনারা কোনো চেম্বারে যাবেন না। এতে চিকিৎসক কিংবা অন্য কারও দ্বারা আপনি করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। আপনি টেলিফোনে চিকিৎসা নেন। অনেক রোগের চিকিৎসা টেলিফোনে নেওয়া সম্ভব। কারও করোনার কোনো লক্ষণের কথা জানতে পারলে আমরা তাদেরকে করোনা সেন্টারে যেতে বলছি।’

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ‘ভূমিকার’ সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই, সকল চিকিৎসকের প্রাণের সংগঠনটির কোনো ভূমিকা নাই। তাদের উচিত ছিল স্বাচিপ-ড্যাব-এনডিএফ- ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট—সবগুলো সংগঠনকে একসঙ্গে নিয়ে এ যুদ্ধে শামিল করানো। এ ব্যাপারে তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’

চিকিৎসকদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এনডিএফের

করোনা সংকটে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিজেদের কর্মসূচি তুলে ধরেন ন্যাশনাল ডক্টর ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি ডা. এ. কে. এম. ওয়ালিউল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘করোনা যখন প্রথম চীনের উহানে শনাক্ত হয়, এর কিছু দিন পর ফেব্রুয়ারির শুরুতে আমরা চিকিৎসকদের নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার করেছি। এর পর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় ইতালিসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে। ওই সময় চিকিৎসকদের জন্য ফেসবুকে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাই। এ রোগ আমাদের দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, আমরা যেন সতর্ক থাকি।’

ডা. এ. কে. এম. ওয়ালিউল্লাহ বলেন, ‘মার্চের শুরুতে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসকদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর (পিপিই) বিষয়ে বিভিন্ন কথা প্রকাশ পেতে লাগলো। প্রস্তুতি না থাকায় ওই সময় চিকিৎসকদের কাছে পিপিই খুব একটা ছিল না। তখন আমরা ৩০০০ ফোর লেয়ার মাস্ক ও ১০০০ হ্যান্ড স্যানিটাইজার সংগ্রহ করে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে চিকিৎসকদের মধ্যে বিতরণ করি। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে আমাদের চিকিৎসকরা হাসপাতালের আউটডোর-ইনডোরে করোনা লক্ষণসহ কিছু রোগীর মুখোমুখি হলেন। ওই সময় তাদের কাছে পিপিই গাউনগুলো পৌঁছেনি। তখন আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি ভিত্তিতে সারাদেশে ৫০০ গাউনসহ বিভিন্ন পিপিই সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। ততক্ষণে দেশ লকডাউন হয়ে যায়, ফলে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে এগুলো পাঠাতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘এবার ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট পিপিই সংগ্রহ করছি। যেহেতু স্পেসিফিক ক্যাস পাওয়া যাচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় আরও ১০০০ পিপিই সেট বিতরণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

সাধারণ রোগীদের জন্য তাদের কর্মসূচি তুলে ধরে এনডিএফ সভাপতি বলেন, ‘মার্চের ১৮ তারিখ থেকে তিনটা মোবাইল নম্বর আমরা হটলাইনে দিয়ে দিয়েছি। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একজন স্ট্যান্ডবাই থাকেন। যেসব রোগী করোনার লক্ষণ অনুভব করেন তাদেরকে ফোনে চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সমস্যা বেশি হলে কোথায় তাও বলে দিচ্ছি।এসব চিকিৎসকদের সবার করোনার ওপর একটি করে কোর্স করা আছে। প্রচুর রোগী সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আমাদের পরামর্শ গ্রহণ করছেন।’

আপনার মতামত দিন :