৭ কার্যদিবসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের !

Ashraful Ashraful

Islam Akash

প্রকাশিত: ২:১০ অপরাহ্ণ, মে ৩, ২০২০

 

৭ কার্যদিবসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের !

আজকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্বারক লিপি প্রদানের পর এ কথা বলেন বেকার ডিপ্লোমা চিকিৎসক মুহাম্মদ মেহেদি হাসান।

এদিকে

আজ সকাল ১০ টা থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি এই বিষয়ে আন্দোলনরতরা জনান
গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত কল্পে বাঙ্গালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রথম পঞ্চবার্ষিকীর পরিকল্পনার (১৯৭৩-১৯৭৮) অংশ হিসাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ MATS) সম্পন্ন করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত ও বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃক রেজিস্ট্রেসন প্রাপ্ত ‘ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি- ডিএমএফ’ ডিগ্রিধারী ডিপ্লোমা চিকিৎসকগন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সমূহে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োজিত থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে আসছি। এছাড়াও সরকারের ডেঙ্গু মেডিকেল টিম, রোহিঙ্গা রেসপন্স, হজ্জ ক্যাম্প সহ দেশের বিভিন্ন দূর্যোগে গঠিত মেডিকেল টিম সহ আধা-সরকারী এবং বেসরকারী খাতে গর্বের সাথে কাজ করে আসছি।

উক্ত আন্দোলন টিমের নেতা মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন বিশ্ব আজ COVID-19 এর ভয়াবহতায় জর্জরিত, বাংলাদেশও এর বাহিরে নয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকার জনগনের জীবন রক্ষার্থে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর মধ্যে করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের একমাত্র অবলম্বন ডিপ্লোমা চিকিৎসকগন। প্রায় ৪৮০০ ইউনিয়নের জনগনের দৌড়গোড়াই কাঙ্খি স্বাস্থ্যসেবা সেবা প্রদানের নিমিত্ত অনেকগুলো ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। এসব স্থাপনার বিপরীতে পদ সৃষ্টি না হওয়ার এবং সরকারী চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করার পর শূন্য পদে নিয়োগ প্রদান না করায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে প্রায় ৫০০০ শূন্য পদ পড়ে আছে। উল্লেখ্য যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিধির জটিলতার কারণে গত ৬ বছর নিয়োগ বন্ধ থাকায় প্রায় ৫০ হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক বেকার বসে আছে,আমাদের আজ দেওয়ালে পিট ঠেকে গেছে তাই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে তাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত হচ্ছে। COVID-19 এর ভয়াবহতার মধ্যেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে আজ পর্যন্ত ৪০ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার করোনায় আক্রান্ত, এই আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তার স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে। এমতাবস্থায় COVID-19 এর ভয়াবহতা রুখতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের এসব শূন্য পদে নিয়োগ এবং এডহক এর ভিত্তিতে ১০,০০০ হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবীতে
কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ COVID-19 মোকাবেলায় শূন্য পদের বিপরীতে এবং এডহক ভিত্তিতে নিয়োগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে বেকার ডিএমএফ দের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগের মাধ্যমে কাজে লাগানোর জোর দাবী জানাচ্ছি,
না হয় কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিবে উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাস্তবায়ন পরিষদ।

আপনার মতামত দিন :