ঢাকা, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

করোনা প্রতিরোধে দেশে প্রথম রেমসিভির উৎপাদন করল এসকেএফ

নিউজ

ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে একমাত্র কার্যকর ওষুধ রেমডেসিভির উৎপাদন শুরু করেছে দেশের খ্যাতনামা ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। শুক্রবার (৮ মে) সকালে থেকে ওষুধটি বাজারজাত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রান্সকম গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠানটি।

ওষুধ উৎপাদনের এ তথ্য নিশ্চিত করে এসকেএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন হোসেন গণমাধ্যকে বলেন, করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট ভীতিকর পরিস্থিতিতে দেশবাসীর জন্য একটি সুখবর রয়েছে এসকেএফের পক্ষ থেকে। বিশ্বে করোনার একমাত্র কার্যকর ওষুধ হিসেবে স্বীকৃত জেনেরিক রেমডেসিভির উৎপাদনের সব ধাপ আমরা সম্পন্ন করেছে তারা। খুব শীগ্রহ তা বাজারজাত করা হবে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় শুধুমাত্র সরকার সরকার অনুমোদিত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে এ ওষুধ সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ওষুধ প্রশাসন গত মার্চ মাসে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদনের পরপরই এসকেএফের ফর্মুলেশন বিজ্ঞানীরা রেমডেসিভির নিয়ে কাজ শুরু করেন। যেহেতু এটি একটি শিরায় দেওয়া ইনজেকশন, সে কারণে এর উৎপাদনে সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়েছে। দুই মাস ধরে এসকেএফের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এত কম সময়ে এটা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। ওষুধের মূল উপাদান সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি করে পর্যাপ্ত কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য,করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কার্যকারিতা দেখিয়েছে রেমডেসিভির। মার্কিন প্রতিষ্ঠান গিলিয়েড সায়েন্সেস কোম্পানির গিলিয়েডের নিজস্ব পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ ব্যবহারে রোগীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মানুষের শিরায় ইনজেকশন হিসেবে এই ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। রোগের তীব্রতার ওপর এর ডোজ নির্ভর করে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য ৫ অথবা ১০ দিনের ডোজ প্রয়োজন হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) গত সপ্তাহে করোনার ওষুধ হিসেবে রেমডেসিভিরকে ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। মার্কিন প্রতিষ্ঠান গিলিয়েড সায়েন্সেস ওষুধটি উৎপাদনের জন্য ভারত ও পাকিস্তানের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলেও খবরে জানা গেছে। এ অবস্থায় এসকেএফই বিশ্বে প্রথম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, যারা জেনেরিক রেমডেসিভির উৎপাদন করতে সক্ষম হলো। এসকেএফের উৎপাদন করা রেমডেসিভিরের বাণিজ্যিক নামকরণ কারা হয়েছে ‘রেমিভির’।

রেমডেসিভির উৎপাদনের একচেটিয়া স্বত্ব রয়েছে গিলিয়েডের। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন অনুযায়ী, জাতিসংঘ স্বীকৃত বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলো এসব পেটেন্ট বা স্বত্ব অগ্রাহ্য করতে পারে। ফলে এসব দেশ সহনীয় মূল্যে ওষুধ উৎপাদন করতে পারে।

আপনার মতামত দিন :

জনমত জরিপ

Coming Soon
করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ কতটুকু সঠিক?
করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ কতটুকু সঠিক?
করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ কতটুকু সঠিক?
  • এই বিভাগের সর্বশেষ